লরিতে করে ফ্রান্সে যাওয়ার চেষ্টা, ২৩ বাংলাদেশি উদ্ধার

 


যুক্তরাজ্য থেকে লরিতে করে অবৈধভাবে ফ্রান্সে যাওয়ার চেষ্টাকালে ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ঘটনায় একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচার চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ)।

এনসিএ জানায়, গত ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি লন্ডন থেকে ডোভার ফেরিঘাটের দিকে যাওয়া একটি লরির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে কেন্ট কাউন্টির উইটস্ট্যাবল এলাকায় সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় লরির ভেতর লুকিয়ে থাকা ২৩ জন বাংলাদেশিকে শনাক্ত করা হয়, যারা যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।

কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে ২২ জন যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে অবস্থান করছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে একজনের অভিবাসনসংক্রান্ত জটিলতা থাকায় তাকে ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনায় মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে লন্ডনের নিউ ক্রস এলাকার এক নারীকে পাচার চক্রের মূল সংগঠক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া তিনজন ট্যাক্সিচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা লন্ডন থেকে বাংলাদেশিদের কেন্ট এলাকায় পৌঁছে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে পাচারের কাজে ব্যবহৃত লরির রোমানিয়ান চালককেও আটক করা হয়েছে। অভিযানের সময় ৩০ হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।

ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির ব্রাঞ্চ কমান্ডার সাজু শাসিকুমার গণমাধ্যমকে বলেন, মানবপাচার চক্রগুলো শুধু মানুষের জীবনকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয় না, বরং যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের সীমান্ত নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি সৃষ্টি করে।

তিনি বলেন, এই ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে এনসিএর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য করুন 
Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url