জাতীয় নির্বাচনের আগে বুধবার জামায়াতের ইশতেহার ঘোষণা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে। দলীয়ভাবে এই ইশতেহারকে দেওয়া হয়েছে নাম ‘জনতার ইশতেহার’। রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত হোটেল শেরাটনে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইশতেহার প্রকাশ করা হবে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বিষয়টি সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে তিনি জানান, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনাকে সামনে রেখেই এবারের ইশতেহার সাজানো হয়েছে। ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিদেশি প্রতিনিধিদেরও অংশগ্রহণ থাকবে। এতে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও কূটনীতিক উপস্থিত থাকবেন। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে জামায়াতের ভেতরে এবং বাইরে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও জানান, ইশতেহারে দলের নীতিমালা ও পরিকল্পনার মধ্যে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দুর্নীতি দমন, সুশাসন, মানবাধিকার, অর্থনীতি এবং পররাষ্ট্রনীতির ওপর। দল আশা করছে, জনগণের কাছে ‘জনতার ইশতেহার’ হিসেবে এই দলীয় পরিকল্পনা গ্রহণযোগ্যতা পাবে এবং নির্বাচনী প্রচারণায় শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। জামায়াতের নেতারা মনে করেন, দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য এই ইশতেহার গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।
এভাবে বুধবার জামায়াতের ইশতেহার ঘোষণার মধ্য দিয়ে দলটি তার নির্বাচনী পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আনছে। ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক এবং জনমত গঠনের ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে দলীয় সমর্থকরা উৎসাহিত হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে জামায়াতের অবস্থান ও পরিকল্পনা বোঝার সুযোগ পাবেন।
.jpg)